পরীক্ষাঙ্গন লোগো পরীক্ষাঙ্গন ফ্রি শুরু করো
সূত্র: Production Management and Marketing 1st Paper উৎপাদনের মাত্রাProduction Management and Marketing 1st Paperউৎপাদনের মাত্রাHSC একাডেমিকChB '2021

সমাধানসহ বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সাতক্ষীরার মি. আলম ১০ কোটি টাকা নিয়ে বাঁশ ও কাঠের শৌখিন পণ্যের ব্যবসায় শুরু করলেন যেখানে ৯০ জন শ্রমিক কর্মরত। ব্যবসায়ের সাফল্য দেখে জার্মান প্রবাসী বড় ভাই তার ব্যবসায়ে ৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন এবং আরও ৪০ জন শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে ব্যবসায়টি সম্প্রসারণ করেন। ফলে বার্ষিক ৯,০০০ পিস পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম হন। গুণগতমানের কারণে দেশে$-$বিদেশে তার পণ্যের চাহিদা বাড়ে।

✓সঠিক উত্তর: ক. কাম্য উৎপাদন মাত্রা কী?Production Management and Marketing 1st Paper · উৎপাদনের মাত্রা

অপশন

  1. ককাম্য উৎপাদন মাত্রা কী?✓ সঠিক উত্তর
  2. খ"উৎপাদন মাত্রা ব্যবসায় সম্প্রসারণে সহায়তা করে"$-$ ব্যাখ্যা করো।✓ সঠিক উত্তর
  3. গউৎপাদন মাত্রার ভিত্তিতে মি. আলমের ব্যবসায়টি কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।✓ সঠিক উত্তর
  4. ঘমি. আলমের ব্যবসায় কাঠামো পরিবর্তনের ফলে যে ব্যবসায় পরিণত হবে, উৎপাদন মাত্রার ধরন অনুযায়ী আলোচনা করো।✓ সঠিক উত্তর
✓
সঠিক উত্তর: ক. কাম্য উৎপাদন মাত্রা কী?

ব্যাখ্যা

$\boxed{\mathbf{~ক~}}$ যে প্রক্রিয়ায় কোনো প্রতিষ্ঠান তার উৎপাদন ক্ষমতার সর্বোচ্চ প্রয়োগের মাধ্যমে পণ্যের একক প্রতি ব্যয়ের পাশাপাশি গড় ব্যয় সর্বনিম্ন করতে পারে তাকে উৎপাদনের কাম্য মাত্রা বলে। $\\$ $\boxed{\mathbf{~খ~}}$ উৎপাদনের উপাদান ব্যবহার করে একজন উৎপাদক যে পরিমাণ উৎপাদন করে তা-ই উৎপাদন মাত্রা। কোনো প্রতিষ্ঠান তার উৎপাদন মাত্রা নির্ণয়ের মাধ্যমে তার মোট উৎপাদনের পরিমাণ সম্পর্কে জানতে পারে। তাছাড়া কোন কোন সীমাবদ্ধতার জন্য বেশি পরিমাণ পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না, কোন সুযোগ ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ানো যাবে তাও জানতে পারে। ফলে ব্যবসায়ে বেশি মুনাফা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হয়। এতে ব্যবসায় সম্প্রসারিত হতে পারে। তাই বলা যায়, উৎপাদন মাত্রা ব্যবসায় সম্প্রসারণে সহায়তা করে। $\\$ $\boxed{\mathbf{~গ~}}$ উৎপাদন মাত্রার ভিত্তিতে মি. আলমের ব্যবসায়টি হলো উৎপাদনধর্মী ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান। বর্তমান জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুযায়ী, উৎপাদনের সাথে জড়িত কোনো ব্যবসায়ের মূলধনের পরিমাণ ১০ কোটি টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা হলে তা উৎপাদনধর্মী ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান। এর পাশাপাশি এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে ২৬-১০০ জন শ্রমিক কর্মরত থাকে। সাতক্ষীরার মি. আলম ১০ কোটি টাকা নিয়ে বাঁশ ও কাঠের তৈরি শৌখিন পণ্যের ব্যবসায় শুরু করলেন। এখানে বাঁশ ও কাঠের রূপগত উপযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে নতুন নতুন পণ্য তৈরি করা হয়। অর্থাৎ, এটি একটি উৎপাদনধর্মী প্রতিষ্ঠান। এখানে ৯০ জন শ্রমিক কর্মরত আছে। জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২-এ উল্লিখিত ক্ষুদ্র শিল্পের মূলধনের পরিমাণের সাথে মি. আলমের ব্যবসায়ের মূলধনের মিল আছে। তাছাড়া মি. - আলমের ব্যবসায়ের শ্রমিক সংখ্যাও ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য নির্ধারিত শ্রমিক সংখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, মূলধন ও শ্রমিক সংখ্যার বিচারে মি. আলমের ব্যবসায়টি হলো ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজ। $\\$ $\boxed{\mathbf{~ঘ~}}$ মি. আলমের ব্যবসায় কাঠামো পরিবর্তনের ফলে এটি উৎপাদনধর্মী মাঝারি শিল্পে পরিণত হয়। জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, উৎপাদনধর্মী মাঝারি শিল্পে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি থেকে ৫০ কোটি টাকা হয়। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত থাকে। মি. আলম ১০ কোটি টাকা ও ৯০ জন শ্রমিক নিয়ে বাঁশ ও কাঠের তৈরি শৌখিন পণ্যের ব্যবসায় শুরু করলেন। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি ছিল ক্ষুদ্র শিল্প প্রতিষ্ঠান। ব্যবসায়ের সাফল্য দেখে জার্মান প্রবাসী তার বড় ভাই ব্যবসায়ে ৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন। তাছাড়া আরও ৪০ জন শ্রমিক নিয়োগ দিয়ে ব্যবসায় সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেন। এতে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ে। পণ্যের মান ভালো হওয়ায় দেশে- বিদেশে প্রতিষ্ঠানটির পণ্যের চাহিদাও বাড়ে। বর্তমানে মি. আলম ও তার ভাইয়ের ব্যবসায়ের মূলধন হলো ১৮ কোটি (১০+৮) টাকা। ১৫-৫০ কোটি টাকা মূলধন হলেই তা মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হয়। তাছাড়া নতুন ৪০ জন শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ায় বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে ১৩০ জন শ্রমিক কর্মরত আছে। মাঝারি শিল্পে সাধারণত ১২১ জনের বেশি শ্রমিক থাকে। তাই বলা যায়, মূলধন ও শ্রমিক সংখ্যা বিবেচনায় মি. আলম ও তার ভাইয়ের ব্যবসায়টি বর্তমানে মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান।