সূত্র: Production Management and Marketing 1st Paper উৎপাদনের মাত্রাProduction Management and Marketing 1st Paperউৎপাদনের মাত্রাHSC একাডেমিকDB '2021
সমাধানসহ বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
মি. বাবুল তার ডাল মিলে প্রতিদিন গড়ে ৫০. টন ডাল উৎপাদন করেন। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে তিনি গড়ে প্রতিদিন ৬০ টন ডাল উৎপাদন করছেন। এতে তার প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন ব্যয় কমে সর্বনিম্ন পর্যায়ে এসেছে। সম্প্রতি বাজার চাহিদা ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় তিনি দৈনিক গড়ে ৮০ টন ডাল উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
✓সঠিক উত্তর: ক. উৎপাদন মাত্রা কী?Production Management and Marketing 1st Paper · উৎপাদনের মাত্রা
অপশন
- কউৎপাদন মাত্রা কী?✓ সঠিক উত্তর
- খ"মিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রায় একটি নির্দিষ্ট স্তর পর্যন্ত উৎপাদন। ব্যয় কমে যায়"$-$ ব্যাখ্যা করো।✓ সঠিক উত্তর
- গউদ্দীপকে উল্লিখিত ৬০ টন ডাল উৎপাদন কোন ধরনের উৎপাদন মাত্রাকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।✓ সঠিক উত্তর
- ঘ"সাম্প্রতিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে মি. বাবুলের গৃহীত সিদ্ধান্ত যুক্তিসঙ্গত নয়"$-$ তুমি কি একমত? উৎপাদন মাত্রার ধরন বিবেচনায় তোমার মতামত বিশ্লেষণ করো।✓ সঠিক উত্তর
✓
সঠিক উত্তর: ক. উৎপাদন মাত্রা কী?
ব্যাখ্যা
$\boxed{\mathbf{~ক~}}$
একটি প্রতিষ্ঠানে সব সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে যে পরিমাণ পণ্য বা সেবা উৎপাদন করা যায় তার পরিমাপকে উৎপাদনের মাত্রা বলে।
$\\$
$\boxed{\mathbf{~খ~}}$
উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ার সাথে একক প্রতি গড় উৎপাদন ব্যয় নির্দিষ্ট
স্তর পর্যন্ত কমে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে মিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রা বলে। উৎপাদনের শুরুতে স্থায়ী ব্যয় বেশি থাকায় একক প্রতি ব্যয় বেশি হয়। কিন্তু উৎপাদনের পরিমাণ বাড়লে উক্ত স্থায়ী ব্যয় প্রতি একক পণ্যের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। এ কারণে একক প্রতি উৎপাদন ব্যয় কমে যায়। এভাবে উৎপাদনের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার সাথে একক প্রতি উৎপাদন ব্যয় একটি নির্দিষ্ট স্তর পর্যন্ত কমতে থাকে।
$\\$
$\boxed{\mathbf{~গ~}}$
মি. বাবুলের মিলে প্রতিদিন গড়ে ৬০ টন ডাল উৎপাদন কাম্য উৎপাদন মাত্রাকে নির্দেশ করে।
যে মাত্রায় বা পরিমাণে পণ্য উৎপাদন করলে একক প্রতি উৎপাদন ব্যয় সর্বনিম্ন হয় তা-ই কাম্য উৎপাদন মাত্রা। এ মাত্রায় পণ্য উৎপাদন করা লাভজনক। কেননা এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বোচ্চ পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
মি. বাবুল তার মিলে প্রতিদিন গড়ে ৫০ টন ডাল উৎপাদন করেন। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বর্তমানে তিনি গড়ে প্রতিদিন ৬০ টন ডাল উৎপাদন করছেন। তিনি দেখলেন, এতে তার প্রতিষ্ঠানের গড় উৎপাদন ব্যয় সর্বনিম্ন পর্যায়ে এসেছে। যে পরিমাণ পণ্য উৎপাদনে গড় ব্যয় সবচেয়ে কম হয় তা-ই কাম্য উৎপাদন মাত্রা। ৬০ টন পণ্য উৎপাদনের কারণে মি. বাবুল সর্বনিম্ন ব্যয়ে সর্বোচ্চ উৎপাদন করতে পারছেন। তাই বলা যায়, মি. বাবুলের কাম্য উৎপাদন মাত্রা হলো ৬০ টন ডাল।
$\\$
$\boxed{\mathbf{~ঘ~}}$
সাম্প্রতিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে মি. বাবুলের অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রায় পণ্য উৎপাদনের সিদ্ধান্তটি যুক্তিসঙ্গত না।
উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো হলে গড় ব্যয় কমতে থাকে। তবে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার পর উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ালে গড় ব্যয়ও বাড়তে থাকে। যে মাত্রায় পণ্য উৎপাদনে গড় ব্যয় বাড়ে তা-ই অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রা। মি. বাবুল প্রতিদিন গড়ে ৫০ টন ডাল উৎপাদন করতেন। চাহিদা বাড়ায় তিনি ৬০ টন ডাল উৎপাদন শুরু করেন। এতে গড় উৎপাদন ব্যয় সর্বনিম্ন পর্যায়ে এসেছে। অর্থাৎ, এটি তার কাম্য উৎপাদন মাত্রা। কিন্তু বাজার চাহিদা আরও বাড়ায় তিনি দৈনিক গড়ে ৮০ টন ডাল উৎপাদনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কাম্য, উৎপাদন মাত্রার পরের স্তর হলো অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রা। তাই ৬০ টনের বেশি অর্থাৎ ৮০ টন ডাল উৎপাদন হবে অমিতব্যয়ী উৎপাদন মাত্রা। এতে মি. বাবুলের গড় উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। ফলে স্বল্প মূল্যে পণ্য বিক্রি করা তার পক্ষে সম্ভব হবে না। পণ্য মূল্য বাড়লে ক্রেতারা বেশি দামে বাবুলের উৎপাদিত ডাল নাও কিনতে পারে। ফলে বিক্রি কমে যাবে। 'এতে ডাল অবিক্রিত থেকে গেলে তিনি ক্ষতির সম্মুখীনও হতে পারেন। তাই আমি মনে করি, সাম্প্রতিক চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে মি. বাবুলের গৃহীত সিদ্ধান্তটি যুক্তিসঙ্গত না।