পরীক্ষাঙ্গন লোগো পরীক্ষাঙ্গন ফ্রি শুরু করো
সূত্র: Production Management and Marketing 1st Paper উৎপাদনের মাত্রাProduction Management and Marketing 1st Paperউৎপাদনের মাত্রাHSC একাডেমিকMSB '2021

সমাধানসহ বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

মি. স্বপন ও মি. রিপন দুই ভাই মিলে ৯৫ লক্ষ টাকা মূলধন এবং ২০ জন কর্মী নিয়ে নাটোরে 'স্বপ্নিল ডায়াগনস্টিক কর্ণার' স্থাপন করেন। আধুনিক যন্ত্রপাতি, মানসম্মত ওষুধ ও সেবার মান ভালো। হওয়ায় চারিদিকে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম ছড়িয়ে পড়ে এবং অল্পদিনেই তারা লাভবান হন। ব্যবসায়টির কলেবর দেশের বিভিন্ন শহরে সম্প্রসারণের জন্য তারা তাদের এক বন্ধু শরণের সাথে পরামর্শ করেন এবং আর্থিক সহায়তা কামনা করেন। বন্ধু শরণ তাদেরকে তিন কোটি টাকা মূলধন হিসেবে দিতে সম্মত হয়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান কাঠামো বিচেনায় মি. স্বপন ও মি. রিপন চিন্তিত।

✓সঠিক উত্তর: ক. কাম্য উৎপাদন মাত্রা কী?Production Management and Marketing 1st Paper · উৎপাদনের মাত্রা

অপশন

  1. ককাম্য উৎপাদন মাত্রা কী?✓ সঠিক উত্তর
  2. খ"বৃহদায়তন এন্টারপ্রাইজ$-$এর সিদ্ধান্ত গ্রহণ বিলম্ব হয়"$-$ ব্যাখ্যা করো।✓ সঠিক উত্তর
  3. গউৎপাদন মাত্রার ধরন অনুযায়ী উদ্দীপকে উল্লিখিত. মি. স্বপন ও মি. রিপনের প্রতিষ্ঠানটি কোন ধরনের শিল্প? ব্যাখ্যা করো।✓ সঠিক উত্তর
  4. ঘউদ্দীপকে উল্লিখিত বন্ধু শরণের কাছে আর্থিক সহায়তা কামনা করা প্রতিষ্ঠানটির জন্য কতটুকু, যৌক্তিক বলে তুমি মনে করো? যুক্তিসহ মতামত দাও।✓ সঠিক উত্তর
✓
সঠিক উত্তর: ক. কাম্য উৎপাদন মাত্রা কী?

ব্যাখ্যা

$\boxed{\mathbf{~ক~}}$ যে প্রক্রিয়ায় কোনো প্রতিষ্ঠান তার উৎপাদন ক্ষমতার সর্বোচ্চ প্রয়োগের মাধ্যমে পণ্যের একক প্রতি ব্যয়ের পাশাপাশি গড় ব্যয় সর্বনিম্ন করতে পারে তাকে উৎপাদনের কাম্য মাত্রা বলে। $\\$ $\boxed{\mathbf{~খ~}}$ উৎপাদনের ক্ষেত্রে যেসব প্রতিষ্ঠানের জমি ও বিল্ডিং ছাড়াও অন্যান্য স্থায়ী সম্পদের মূল্য ৫০ কোটি টাকার বেশি বা শ্রমিক সংখ্যা ৩০০ এর বেশি হয়, সেসব প্রতিষ্ঠানকে বৃহদায়তন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে গণ্য করা হয়। বৃহদায়তন ব্যবসায় আকারে বড় হয় ও অনেক কর্মী থাকে। এরূপ ব্যবসায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য পরিচালকমণ্ডলী এমনকি ব্যবসায় সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে হয়। এতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। ফলে ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আর এসব কারণেই বৃহদায়তন ব্যবসায়ে সিদ্ধান্ত নিতে বিলম্ব হয়ে থাকে। $\\$ $\boxed{\mathbf{~গ~}}$ মি. স্বপন ও মি. রিপনের প্রতিষ্ঠানটি হলো সেবাধর্মী ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজ। অভাব বা প্রয়োজন মেটাতে পারে এমন অস্পর্শনীয় তবে শনাক্তযোগ্য সুবিধাই হলো সেবা। বাংলাদেশের জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে সেবাধর্মী ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজে মূলধন হয় ১০ লক্ষ থেকে ২ কোটি টাকা। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানে ১৬-৫০ জন শ্রমিক কাজ করে। মি. স্বপন ও মি. রিপন দুই ভাই মিলে ৯৫ লক্ষ টাকা মূলধন নিয়ে নাটোরে 'স্বপ্নিল ডায়াগনস্টিক কর্ণার' স্থাপন করেন। এটি আধুনিক যন্ত্রপাতি, মানসম্মত ওষুধ প্রদান ও রোগীদের সঠিকভাবে দেখাশোনা করার মাধ্যমে সেবা দেয়। অর্থাৎ, এটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান। এখানে ২০ জন শ্রমিক কর্মরত আছে। প্রতিষ্ঠানটির মূলধন ও শ্রমিক সংখ্যা বাংলাদেশে বিদ্যমান জাতীয় শিল্পনীতি. ২০২২-এ বর্ণিত সেবাধর্মী ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজের মূলধন ও শ্রমিক সংখ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই ব্রলা যায়, মি. স্বপন ও মি. রিপন দুই ভাইয়ের ব্যবসায়টি সেবাধর্মী ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজের অন্তর্ভুক্ত। $\\$ $\boxed{\mathbf{~ঘ~}}$ বন্ধু শরণের কাছে আর্থিক সহায়তা কামনা করে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোগত পরিবর্তন করে সেবাধর্মী মাঝারি শিল্পে রূপান্তরের সিদ্ধান্তটি যৌক্তিক। জাতীয় শিল্পনীতি' ২০২২ অনুযায়ী, সেবাধর্মী মাঝারি শিল্পে জমি ও দালানকোঠা বাদে স্থায়ী সম্পদের মূল্য হয় ২ কোটি থেকে ৩০ কোটি টাকা। এসব প্রতিষ্ঠানে ৫১-১২০ জন কর্মী নিয়োজিত থাকে। ক্ষুদ্র শিল্প - থেকে আয়তনে বড় হওয়ায় এখানে সেবা প্রদানে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তুলনামূলক বেশি হয়। মি. স্বপন ও মি. রিপন দুই ভাই মিলে ৯৫ লক্ষ টাকা মূলধন নিয়ে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে তোলেন। এটি একটি সেবাধর্মী ক্ষুদ্র এন্টারপ্রাইজ। আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে মানসম্মত সেবা দেওয়ায় এর সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তাই তাদের ব্যবসায়টি দেশের বিভিন্ন শহরে সম্প্রসারণ করতে তারা আগ্রহী হয়। এজন্য তাদের বন্ধু শরণের কাছে আর্থিক সাহায্য চান এবং শরণ তাদের ৩ কোটি টাকা মূলধন হিসেবে দিতে রাজি হয়। শরণের মূলধন পেলে ব্যবসায়টির বর্তমান মূলধন হবে ৩ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা। এতে ব্যবসায়টি সেবাধর্মী মাঝারি এন্টারপ্রাইজে পরিণত হবে। প্রাথমিক পর্যায়ের স্বল্প মূলধন নিয়ে দেশের বিভিন্ন শহরে শাখা স্থাপন সম্ভব না। তবে নতুন মূলধন পাওয়ায় তা সম্ভব হতে পারে। ব্যবসায়ের কলেবর অর্থাৎ শাখা বাড়বে। তাছাড়া নতুন শাখার জন্য নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপন সম্ভব হবে। ফলে গ্রাহকরা 'স্বপ্নিল ডায়াগনস্টিক কর্ণার' থেকে আরও উন্নতমানের সেবা পাবে। এতে গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত হবে। ফলে প্রতিষ্ঠানটির মুনাফা আগের থেকেও বাড়বে। তাছাড়া নতুন শাখার জন্য নতুন কর্মী নিয়োগ দিয়ে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও প্রতিষ্ঠানটি ভূমিকা রাখবে। এসব কিছু বিবেচনায় বলা যায়, দুই ভাইয়ের শরণের কাছে আর্থিক সহায়তা কামনা করা যৌক্তিক ছিল।